সাধুভাষার রুপ-

Updated: 7 months ago
  • গুরগম্ভীর ও সংস্কৃতানুসারী
  • সংস্কৃত শব্দবহুল ত
  • দ্ভব শব্দবহুল
  • সমাসবহুল
440
ব্যাখ্যাঃ

সাধুভাষা বাংলা গদ্যের একটি প্রাচীন রূপ। এটি সাধারণত আনুষ্ঠানিক, ধীর এবং সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডার দ্বারা প্রভাবিত। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

  • গুরগম্ভীর: সাধুভাষার প্রকাশভঙ্গি অত্যন্ত গম্ভীর ও আনুষ্ঠানিক। এটি কথোপকথন বা সাধারণ আলোচনার জন্য উপযুক্ত নয়।
  • সংস্কৃতানুসারী: সাধুভাষায় তৎসম (সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসা) শব্দের ব্যবহার বেশি। এর পদবিন্যাস ও ক্রিয়াপদের রূপ সংস্কৃত ভাষার নিয়ম অনুসরণ করে চলে। ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: 'করিতেছে', 'তাহাদের')।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, সাধুভাষার রূপ হলো গুরগম্ভীর ও সংস্কৃতানুসারী। এটি তার আনুষ্ঠানিকতা, শব্দচয়ন এবং ব্যাকরণগত কাঠামোর একটি পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন সঠিক নয়:

  • সংস্কৃত শব্দবহুল: সাধুভাষা সংস্কৃত শব্দবহুল বটে, তবে এটি কেবল একটি আংশিক বর্ণনা। এর 'গুরগম্ভীর' ভাব এবং 'সংস্কৃতানুসারী' ব্যাকরণগত কাঠামো বাদ পড়ে যায়।
  • তদ্ভব শব্দবহুল: এটি ভুল। সাধুভাষায় তদ্ভব শব্দের ব্যবহার খুব কম। তদ্ভব শব্দ মূলত চলিতভাষার বৈশিষ্ট্য।
  • সমাসবহুল: সাধুভাষায় সমাসের ব্যবহার থাকলেও এটি তার প্রধান ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নয়। চলিতভাষাতেও সমাস ব্যবহৃত হয়। সাধুভাষার বিশেষ রূপ হলো তার গাম্ভীর্য ও সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রতি আনুগত্য।
Sumaiya Mim
Sumaiya Mim
1 month ago

পূর্বে সাহিত্য রচনা ও লেখালেখির জন্য তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সম্পন্ন যে গুরুগম্ভীর ভাষারীতি ব্যবহৃত হতো, তাকেই সাধু ভাষা বলে। এই ভাষা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর, দুরূহ এবং এতে দীর্ঘ পদ ব্যবহৃত হয় বলে এই ভাষা কথা বলার জন্য খুব একটা সুবিধাজনক না। তাই এই ভাষায় কথাও বলা হয় না। এই ভাষা কেবল লেখ্য রীতিতে ব্যবহারযোগ্য। তাও বহু আগেই লেখ্য রীতি হিসেবে চলিত রীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়ায় সাধু রীতি এখন লেখ্য ভাষা হিসেবেও ব্যবহৃত হয় না। কেবল সরকারি দলিল-দস্তাবেজ লেখা ও অন্যান্য কিছু দাপ্তরিক কাজে এখনো এই রীতি ব্যবহৃত হয়।

সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
  • তৎসম শব্দের ব্যবহার: এতে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বাহুল্য থাকে ।

  • দীর্ঘ পদ: সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ হয় (যেমন: খাইতেছে, গিয়াছিল, উহাদের)।

  • ব্যাকরণ অনুসারী: সাধু ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম অত্যন্ত কঠোরভাবে মেনে চলে।

  • গুরুগম্ভীর ও মার্জিত: এটি অত্যন্ত গম্ভীর ও কাব্যিক প্রকৃতির।

সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের উদাহরণ:
  • সাধু: তাহা হইলে তুমি কোথায় যাইবে?

  • চলিত: তাহলে তুমি কোথায় যাবে?

  • সাধু: আমি অদ্যই আসিব।

  • চলিত: আমি আজই আসব।

ইতিহাস ও ব্যবহার:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ বাংলা গদ্যের শুরুতে এই রীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে লেখালেখিতে এর ব্যবহার কমে গেছে এবং চলিত রীতি বা প্রমিত রূপই (Standard Bengali) বেশি জনপ্রিয়।
সতর্কতা: সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে 'গুরুচণ্ডালী দোষ' বলা হয়।

Related Question

View All
Updated: 2 months ago
  • সাধু ভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট
  • সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি
  • সাধু ভাষায় সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি
  • সাধু ভাষা সব সময় ব্যকরণের নিয়ম মেনে চলে না
37
Updated: 3 days ago
  • আজ
  • মিনতি
  • জল
  • জোসনা
102
  • কথ্য ভাষা
  • চলিত ভাষা
  • সাধু ভাষা
  • আঞ্চলিক ভাষা
86
Updated: 6 months ago
  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  • প্রমথ চৌধুরী
199
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই